বইটির বিবরণ
মায়া এবং মজার ঘাসফড়িং মানুষ ও প্রকৃতির গভীর সম্পর্কের এক মনোমুগ্ধকর গল্প। নয় বছরের কল্পনাপ্রবণ মেয়ে মায়া একদিন বাগানে খেলতে গিয়ে বিপদে পড়া এক ঘাসফড়িংকে উদ্ধার করে। আশ্চর্যের বিষয়, সেই ঘাসফড়িং কথা বলতে পারে! কিছুক্ষণের মধ্যেই সে মায়াকে নিয়ে যায় এক বিস্ময়কর জগতে, যেখানে মানুষ নেই, কেবল প্রাণীরা আছে, সবাই কথা বলতে পারে। আর সবাই সব প্রাণীর বিপদে-আপদে সহযোগিতা করে। যেখানে চড়ুইপাখি ক্ষুধার্ত হাঁসের ছানাকে তার ঠোঁট দিয়ে খাওয়ায়, পথহারানো হাঁসের বাচ্চাকে তার বাসায় পৌঁছে দেয়। এই অনন্য অভিজ্ঞতায় মায়ার মধ্যে জেগে ওঠে প্রকৃতির প্রতি নতুন উপলব্ধি, প্রাণের প্রতি গভীর মমতা। শেষ পর্যন্ত নিজের জগতে ফিরে এসে সে বুঝতে পারে আনন্দে বাঁচতে হলে মানুষকে প্রকৃতি ও প্রাণের বন্ধু হতে হবে।
এই গল্পে শিশুর কল্পনা, মমতা ও পরিবেশ-সচেতনতার এক সুমধুর মিশ্রণ পাঠককে ভাবাবে ও মুগ্ধ করবে।
লেখকের পরিচিতি

জন্ম ১৯৬৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর, নীলফামারীর সৈয়দপুরে। পিতা সিরাজুল হক ভূঁইয়া এবং মাতা সালমা বেগম। পৈতৃক নিবাস চাঁদপুর সদর, চাঁদপুর। ছোটোবেলা থেকেই লেখালিখি তাঁর প্রথম আগ্রহ। আশির দশকের মাঝামাঝি থেকে নব্বই দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত নিয়মিত লেখালিখি করেছেন বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক, সাপ্তাহিক ও পাক্ষিক পত্রিকায়। নব্বইয়ের মাঝামাঝি থেকে পুরোদমে প্রকাশনা শিল্পে আত্মনিয়োগ করেন। তিনি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ প্রকাশনা সংস্থা পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স লি.-এর একজন প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক এবং প্রকাশক হিসেবে দায়িত্বরত রয়েছেন।
তাঁর প্রকাশিত কবিতার বই এলোমেলো দুঃখগুলো (১৯৯৮), শিশুতোষ বই জেমি ও জাদুর শিমগাছ (২০১০) এবং মৎস্যকুমারী ও এক আশ্চর্য নগরী (২০২০)।
মুদ্রণশৈলী: নান্দনিক প্রকাশনার নির্দেশিকা (২০১৮); পাণ্ডুলিপি: প্রস্তুতকরণ, সম্পাদনা, প্রুফরিডিং (২০১৮) এবং পুস্তক: উৎপাদন ব্যবস্থাপনা (২০২০) লেখকের প্রকাশনা বিষয়ক সিরিজের তিনটি বই।