বইটির বিবরণ
যেন সে মাটি ফুঁড়ে জেগে ওঠা এক সরল চারাগাছ, আমাদের এই গল্পের প্রধান চরিত্রটি। এই গল্পটি সেই সরলবালার, নাম যার তারামালা। সে চোখ মেলে যেদিকেই তাকায়, মুগ্ধ হয়। তাকে মুগ্ধ করে পুকুরের জল, গাছের সবুজ। কতরকম সবুজ গাছে গাছে! তারামালা সবুজ বিরিক্ষিদের ভালোবাসে। বাংলাসাহিত্যে নিজের সাথে নিজের বোঝাপড়াটা বাঙালি বালকের হয়েছে ঠিকই, কিন্তু বাঙালি বালিকা মনের এমন টুকরা-টাকরাটা কেউ এমন করে বলে যায়নি এর আগে। এমন মাটিমাখা সুরে, এমন স্নিগ্ধ স্বরে কেউ বলেনি বালিকাজীবনের পরানকথা। রৌদ্রে কুসুমে বিরিক্ষিপত্রে যেটুকু ব্যথা খচিত হয়ে আছে এর স্মারক হয়ে থাকুক পাঠকের কাছে।
লেখকের পরিচিতি

পিএইচডি করেছেন ড. হুমায়ুন আজাদের তত্ত্বাবধানে, বাংলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। দীর্ঘদিন অধ্যাপনা করেছেন ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ-এ।
প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ
আধুনিক বাংলা উপন্যাসে বাস্তবতার স্বরূপ (১৯২০-৫০), সোনার খড়কুটো, বিবি থেকে বেগম, পুরুষের পৃথিবীতে এক মেয়ে, রক্তপুঁজে গেঁথে যাওয়া মাছি, এইসব নিভৃত কুহক, জীবনের রৌদ্রে উড়েছিলো কয়েকটি ধূলিকণা, পাশে শুধু ছায়া ছিলো, জীবনের পুরোনো বৃত্তান্ত, নিরন্তর পুরুষভাবনা, যখন ঘাসেরা আমার চেয়ে বড়ো, পৌরাণিক পুরুষ, বাংলা সাহিত্যে বাস্তবতার দলিল (১৩১৮-১৩৫০ বঙ্গাব্দ), সাক্ষী কেবল চৈত্রমাসের দিন, অচিন আলোকুমার ও নগণ্য মানবী, একদিন একটি বুনোপ্রেম ফুটেছিলো, জলের সংসারের এই ভুল বুদবুদ, নিত্য যে নদী বহে, পানিডাঙা গ্রামে যা কিছু ঘটেছিলো, চিরকালের এই রূপকথা, পুরানা আমলের এইসব ভেদের কোনো মীমাংসা আসে নাই।