বইটির বিবরণ
শহরের পশ্চিম দিকে ময়ূর নদী। নদীর এক পারে দ্রুত গড়ে উঠেছে শহর। সেখানে বড়ো বড়ো দালান। হাঁটা পথ, লাইব্রেরি থাকলেও নেই কোনো খেলার মাঠ। শিশু-কিশোররা তাই বিকেলে খেলতে যায় ছোটো এক খণ্ড ফাঁকা জায়গায়। সবাই জায়গাটাকে ডাকে তেঁতুল তলা মাঠ। শিশু-কিশোরদের একমাত্র খেলার জায়গা তেঁতুল তলা মাঠ একদিন পুলিশরা দখল নিতে চায়। পুলিশ বাহিনীর এমন অন্যায় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রিয়, অর্ণব, লাবণী, শম্পা, জাফর, ধীমান, ডেভিড, অংপ্রু ও তাদের বন্ধুরা প্রতিবাদ করে। পুলিশ আন্দোলনরত প্রিয়কে গ্রেপ্তার করে। প্রিয়র মা রত্নাসহ এলাকার মানুষ আন্দোলনে নামেন। এলাকার মানুষের আন্দোলনের কারণে পুলিশ প্রিয়কে মুক্তি দেয়। আর তেঁতুল তলা মাঠকে স্থায়ী খেলার মাঠ হিসেবে ঘোষণা দেয়। প্রাণহীন তিলোত্তমা শহরে প্রাণ ফিরে আসে তেঁতুল তলা মাঠ রক্ষার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে।
লেখকের পরিচিতি

ড. রতন সিদ্দিকী কথাকার রতন সিদ্দিকীর পরিচিতি অসামান্য বাগী ও নিরুপম শিক্ষক হিসেবে। তিনি লিখছেন শৈশব থেকে। তবে সেসব লেখা প্রথম গ্রন্থরূপ পায় ১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দে। এরপর থামেন নি আর অবিরল সৃজনে অদ্যাবধি মগ্ন তিনি। এখন তার গ্রন্থ সংখ্যা বিশ ছাড়িয়েছে। রতন সিদ্দিকী লিখেছেন উপন্যাস, গল্প, প্রবন্ধ, নাটক, স্মৃতিকথা ও ব্যপুস্তক সংকলন ও সম্পাদনা করেছেন অভিধান ও চিরায়ু সাহিত্য। তাঁর জন্ম ২২-এ অক্টোবর, ১৯৬৩ খ্রিষ্টাব্দে। পৈতৃক নিবাস নরসিংদী। জন্মস্থান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর। তবে শৈশব, কৈশাের ও যৌবনের সূচনায় থেকেছেন খুলনায়। শিক্ষার প্রয়ােজনে ছুটেছেন রাজশাহী ও ভারতবর্ষে। বর্তমানে স্থায়ীভাবে থাকছেন ঢাকায়। মার্কসবাদে অনুপ্রাণিত রতন সিদ্দিকী সকল সময়ে পঁচিশের টগবগে যৌবনে আছেন স্থির। তার গর্ব তিনি বাঙালি। তার অহংকার- মাতৃভূমি বাংলাদেশ।