বিচ্ছিন্নতায় অসম্মতি
বিচ্ছিন্নতায় অসম্মতি

বিচ্ছিন্নতায় অসম্মতি

বিষয়:
প্রবন্ধ
ISBN:
9789842938290
সংস্করণ:
২০২৬
পৃষ্ঠা:
২০০
মূল্য (MRP):

৫০০ টাকা

pbs

বইটির বিবরণ

এই বইয়ের লেখাগুলোতে বিশেষভাবে যে বাস্তবতা দেখা যায়, তা হলো বিচ্ছিন্নতা। আধুনিক বিশ্বের এক অনিবার্য বিধিলিপি। ব্যক্তি আজ ক্রমশ অসহায়; পরিবেশ থেকে, আপনজন থেকে, এমনকি নিজের কাছ থেকেও সে দূরে সরে গেছে। তবে বিচ্ছিন্নতা মানেই আত্মসমর্পণ নয়। এর বিরুদ্ধে এক ধরনের অসম্মতি সর্বদা সক্রিয় থাকে বলেই সম্পূর্ণ হতাশা অনিবার্য হয়ে ওঠে না। শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও রাজনীতির চর্চার মধ্য দিয়েই মানুষ একে অপরের কাছে পৌঁছাতে চায়, সামাজিক হয়ে ওঠার চেষ্টা করে। বর্তমান সময়ে এই সামাজিক হয়ে ওঠার প্রয়াস অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি প্রয়োজনীয়, কারণ বিচ্ছিন্নতা যত বাড়ছে, ততই তার কাছে নতি স্বীকার না করার দায়ও বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিচ্ছিন্নতায় অসম্মতি মূলত সেই সত্যটির ওপরই জোর দেয়। প্রবন্ধগুলোর কেন্দ্রীয় অবস্থান স্পষ্টভাবে বিচ্ছিন্নতার বিপক্ষে 'মুক্তিযুদ্ধের আঞ্চলিক ইতিহাস' ও 'বিলেতে সাড়ে সাত শ দিন' ছাড়া অন্যান্য প্রবন্ধ রচিত হয়েছে ২০১৩ সালে। প্রথমটি ২০০৬ সালে লেখা এবং হস্তক্ষেপ ছাড়াই সংকলিত, আর ১৯৫৯ সালের রচনা 'বিলেতে সাড়ে সাত শ দিন'-এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে একটি সংক্ষিপ্ত সংযোজন। সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর লেখায় ব্যক্তির উপস্থিতি থাকলেও সে কখনো একক নয়; সে সমাজের প্রতিনিধি, আর আপাত আত্মজৈবনিক প্রবন্ধগুলোও মূলত সমাজকথন- যেখানে বিচ্ছিন্নতায় অসম্মতিই প্রধান সত্য।

লেখকের পরিচিতি

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী।  জন্ম : বাড়ৈখালী, বিক্রমপুর, ২৩ শে জুন ১৯৩৬।  শিক্ষা : স্নাতক সম্মান (ইংরেজি), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৫৫), স্নাতকোত্তর (ইংরেজি), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৫৬); পিএইচডি : লেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাজ্য (১৯৬৮), পেশা : অধ্যাপনা।  প্রফেসর এমেরিটাস, ইংরেজি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।
প্রকাশিত গ্রন্থ : প্রবন্ধ-গবেষণা : অন্বৈষণ (১৯৬৪), দ্বিতীয় ভুবন (১৯৭৩), আমার পিতার মুখ (১৯৮৩), বঙ্কিমচন্দ্রের জমিদার ও কৃষক (১৯৭৬), বেকনের মৌমাছিরা (১৯৭৮), বাঙালীকে কে বাঁচাবে (১৯৮৩), টলস্টয় অনেক প্রসঙ্গের কয়েকটি (১৯৮৫), গণতন্ত্রের পক্ষ-বিপক্ষ (১৯৮৭), দ্বিজাতিতত্ত্বের সত্য-মিথ্যা (১৯৯২), লেনিন কেন জরুরী (১৯৯২), লিঙ্কনের বিষণ্ণ মুখ (১৯৯৪), শেক্সপীয়রের মেয়েরা (১৯৯৯), ধ্রুপদি নায়িকাদের কয়েকজন (২০০০) প্রভৃতি।  ছোটগল্প : ভালো মানুষের জগৎ (১৯৯০)।  উপন্যাস : শেষ নেই (২০০৪), কণার অনিশ্চিত যাত্রা (২০০৫)। অনুবাদ : এ্যারিস্টটলের কাব্যতত্ত্ব (১৯৭২), ইবসেনের বুনো হাঁস (১৯৬৫), হাউসম্যারেন কাব্যের স্বভাব (১৯৬৫), হোমারের ওডেসি (১৯৯০)।  ইংরেজি গ্রন্থ : Introducint Nazrul Islam (১৯৬৫), The Moral Imagination of Joseph Conrad (১৯৭৪), The Enemy Territory (১৯৭৬)। সম্পাদনা : ত্রৈমাসিক নতুন দিগন্ত (২০০৩)।
পুরস্কার : লেখক সংঘ পুরস্কার (১৯৭৫), বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৭৬), আবদুর রহমান চৌধুরী পদক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৭৮), লেখিকা সংঘ পদক (১৯৮০), মাহবুব উল্লাহ ফাউন্ডেশন পদক (১৯৮৩), অলক্ত সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৮), একুশে পদক (১৯৯৬), আবদুল রউফ চৌধুরী পুরস্কার (২০০১), ঋষিজ পদক (২০০২)।